alo
ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ৪, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ায় ডিজেল-গ্যাসোলিনের দাম বাড়ছে ৪০ শতাংশ

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২২, ০৭:০৭ পিএম

ইন্দোনেশিয়ায় ডিজেল-গ্যাসোলিনের দাম বাড়ছে ৪০ শতাংশ
alo


নিউজনাউ ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার বেসামাল অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে ডিজেল ও গ্যাসোলিনের দাম ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বাড়াচ্ছে দেশটির সরকার। 

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) দেশটির পার্লামেন্টের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি কমিটির উপ চেয়ারম্যান ইদি সোয়েপার্নোসহ রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রয়টার্সকে ইদি সোয়েপার্নো বলেন, গত সপ্তাহে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি পারতামিনার সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিজেল ও গ্যাসোলিনের নতুন দামও প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি লিটার ৯০-অকটেন গ্যাসোলিনের দাম ৭ হাজার ৬৫০ রুপিয়াহ (ইন্দোনেশীয় মুদ্রা) থেকে ১০ হাজার রুপিয়াহ এবং ৯২-অকটেন গ্যাসোলিনের দাম সাড়ে ১২ হাজার রুপিয়া থেকে ১৬ হাজার রুপিয়াহ করা হবে। এছাড়া প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ৫ হাজার ১৫০ রুপিয়াহ থেকে বেড়ে পৌঁছাবে ৭ হাজার ২০০ ডলারে।

শিগগিরই এই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর করা হবে উল্লেখ করে রয়টার্সকে ইদি সোয়েপার্নো বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া বরাবরই জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দেয়। চলতি বছর জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর থেকে সেই ভর্তুকি আরও বাড়ানো হয়েছে।’

‘এই মুহূর্তে আমরা জ্বালনি তেল ও গ্যাসোলিনের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৫০২ ট্রিলিয়ন রুপিয়াহ (৩৩ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার) ভর্তুকি দিচ্ছি, যা দেশের বাজেটের ১৬ শতাংশ। এর আগে কখনও এত পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি দেওয়ার রেকর্ড ইন্দোনেশিয়ায় নেই।’

‘কিন্তু তারপরও অভ্যন্তরীণ বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। যদি জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, সেক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকির পরিমাণও বাড়াতে হবে; কিন্তু বর্তমানে তা একেবারেই সম্ভব নয়। এ কারণে বাধ্য হয়েই জ্বালানির দাম বাড়াতে হচ্ছে।’

তবে জ্বালানি খাতে যে বর্তমানে ইন্দোনেশীয় সরকারকে বিপুল পরিমাণ লোকসান গুণতে হচ্ছে, তা স্বীকার করেছেন মন্ত্রী। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে প্রতি লিটার ৯০-অকটেন গ্যাসোলিন উৎপাদন থেকে বাজারে আসা পর্যন্ত খরচ পড়ে ১৭ হাজার ২০০ রুপিয়াহ, প্রতি লিটার ডিজেল পরিশোধন ও বাজারজাত করার খরচ ১৭ হাজার ৬০০ রুপিয়া। কিন্তু ভোক্তাদের কাছে আমরা এখন পর্যন্ত প্রতি লিটার ৯০ অকটেনের দাম  রাখছি ৭ হাজার ৬৫০ রুপিয়াহ এবং প্রতি লিটার ডিজেলের দাম রাখছি ৫ হাজার ১৫০ রুপিয়াহ।’

‘অর্থাৎ প্রায় তিনগুণ কম দামে আমরা সাধারণ জনগণকে জ্বালানি সরবরাহ করছি। যদি বেশিদিন এই অবস্থা চলে, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্যে গুরুতর সমস্যা দেখা দেবে।’

নিউজনাউ/আরবি/২০২২

X