alo
ঢাকা, শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ | ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ইউরোপে পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ৪২ শতাংশ

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারী, ২০২৩, ১০:৫০ এএম

ইউরোপে পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে ৪২ শতাংশ
alo

নিউজনাউ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়েনের (ইইউ) পরিসংখ্যান সংস্থা ইউরোস্ট্যাট এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সবশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানি বেড়েছে। ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশ থেকে ১৯ দশমিক ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পোশাক আমদানি করেছে। যা ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় ৪১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেশি। ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ থেকে ৮৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক আমদানি করেছে। যা ২০২১ সালের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি।

পরিসংখ্যান অনুসারে, ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে চীন প্রথম অবস্থানে রয়েছে। ২৯ দশকি ৩৯ শতাংশ অংশীদারিত্ব নিয়ে চীন ইইউতে বড় পোশাক সরবরাহকারী হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২২ সালের প্রথম দশ মাসে ইইউরোপীয় ইউনিয়নের আমদানী ২২ দশমিক ৪৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ ২৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে।

চীনের মত একই সময়ে তুরস্ক থেকে আমদানি বছরওয়ারি ১৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়েছে। তুরস্ক থেকে ইইউতে আমদানি ১০ দশমিক ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

ভারত থেকে ইইউ’র আমদানি ৪ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা বছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

ইইউ’র শীর্ষ আমদানি সরবরাহকারীদের মধ্যে কম্পোডিয়ার ৩৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ, ভিয়েতনামের ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ, পাকিস্তানের ২৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ, মরক্কো ৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কা ১৮ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়া ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ ব্যাপারে পোশাক রপ্তানিকারক মালিকদের সংগঠন (বিজিএমইএ) এর পরিচালক বলেন, প্রবৃদ্ধি অনুসারে অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করেছে। অঙ্কের ভ্যালুতেও সেটি কম না। ইউরোপে বাংলাদেশ ভালো করছে বরাবরই। সেখানে বাংলাদেশের পোশাকের ভালো চাহিদা আছে। একটি কথা না বললেই না, অক্টোবরের পর্যন্ত ইউরোপের যে আমদানি সেটা কিন্তু এরপর কমেছে। যেটা আমরা এরই মধ্যেই দেখেছি। যদিও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ভালো। কিন্তু, যতটুকুই রপ্তানি হয়েছে ইউরোপে তারমধ্যেও বাংলাদেশ ভাল করেছে। কিন্তু, এটাতে আসলে খুব বেশি খুশী হওয়ার কিছু নেই। আমরা মূলত মন্দের ভালো করছি।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক মন্দা এসব কিছুর প্রভাব পড়াতেই কিন্তু এটি হচ্ছে। আর, প্রবৃদ্ধি অর্জনের কারণ হচ্ছে আমাদের পোশাকের ইউনিট ভ্যালু বেড়েছে। নতুন-নতুন পোশাক রপ্তানি হচ্ছে, পরিবহন খরচ বেড়েছে। এসবের কারণেও কিন্তু প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। কিন্তু, আক্ষরিক অর্থে আমরা নেতিবাচক পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। যেটা আমরা ডিসেম্বর, জানুয়ারি মাসের ডাটা পেলেই দেখতে পারব। কিন্তু অন্যদের থেকে আমাদের অবকাঠামো ভালো থাকার কারণে হয়ত আমরা ভালো করব, কিন্তু আমাদের সার্বিক রপ্তানি কিন্তু কমে যাবে। আমাদের সতর্কভাবে সামনের পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

 

নিউজনাউ/কেআই/২০২৩

 

 

X