alo
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

খৈয়াছড়া ঝর্ণায় ২৮ কোটি টাকার প্রকল্প এখনো দেখেনি আলোরমুখ

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০২:৪৬ পিএম

খৈয়াছড়া ঝর্ণায় ২৮ কোটি টাকার প্রকল্প এখনো দেখেনি আলোরমুখ
alo

 

রাজু কুমার দে, মিরসরাই: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা আধুনিকায়নে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি এখনো ঝুলে আছে। বিগত ৫ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি। অথচ প্রত্যেক বছর হাজার হাজার পর্যটক খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে আসেন।

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহামায়া ও খৈয়াছড়া ঝর্ণাকে পর্যটনমুখী করতে ২০১৭ সালে প্রায় ৫০ কোটি টাকার দুই প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। কিন্তু পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় মহামায়া সেচ প্রকল্পের জন্য ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও খৈয়াছড়া ঝর্ণার জন্য প্রস্তাব পাঠানো ২৮ কোটি টাকার এখনো কোন সমাধান হয়নি।

২৮ কোটি টাকার প্রস্তাবিত খৈয়াছড়া ঝর্ণা প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে গাড়ি পাকিং নির্মাণ, ২০০ হেক্টর সাইকাস উদ্ভিদ বনায়ন, ৬০০ হেক্টর দুষ্প্রাপ্য বিপদাপন্ন দেশীয় প্রজাতির চারা রোপন, ফলদ প্রজাতি ও স্থানীয় প্রজাতির চারা রোপন, যাতায়াতের জন্য ৫টি আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণ, সড়ক নির্মাণ, পাঁচটি শৌচাগার ও ওয়াশরুম নির্মাণ, দুই কিলোমিটার বৈদ্যুতিক লাইন স্থাপন, ১৫ ডেসিমল জমি অধিগ্রহণ, ৩টি গভীর নলকূপ স্থাপন, নিরাপত্তার জন্য আরসিসি বাউন্ডারি নির্মাণ ইত্যাদি। কিন্তু পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় মহামায়া ইকো পার্কের জন্য ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও খৈয়াছড়ার প্রকল্পটি এখনো ঝুলে আছে।

জানা গেছে, ২০১৩ সালে খৈয়াছড়া ঝর্ণাটি প্রচারের আলোয় আসে। সে থেকে থেমে নেই খৈয়াছড়া ঝর্ণার প্রচার। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঝর্ণা পিয়াসুরা ছুটে আসে খৈয়াছড়া ঝর্ণায়। প্রত্যেক বছর হাজার হাজার পর্যটক আসে এখানে। চলতি বছর খৈয়াছড়া ঝর্ণাটি ২৫ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ইজারা দেয়া হয়। প্রত্যেক পর্যটকের কাছ থেকে ২০ টাকা প্রবেশ মূল্য নেয়া হয়ে থাকে। তবে অতি বর্ষণে ঝর্ণায় উঠা বিপদজ্জনক।

এবিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের করেরহাট ও নারায়ণহাট রেঞ্জের দায়িত্বে থাকা সহকারী বন সংরক্ষক জামিল মোহম্মদ খান জানান, নতুন করে বনায়নের ফলে মহামায়ায় বিলুপ্ত প্রায় বন প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রজনন আবারো শুরু হবে। ফলে পর্যটনের পাশাপাশি জীববৈচিত্র রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে প্রকল্পটি। 

এক প্রশ্নের জবাবে তিন বলেন, মহামায়ার উন্নয়নের জন্য ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও খৈয়াছড়া ঝর্ণার প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২২

X