alo
ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ৪, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্ক ট্রেড ফেয়ার থেকে সরে দাঁড়ালো রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো

প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২২, ০৬:০৪ পিএম

নিউইয়র্ক ট্রেড ফেয়ার থেকে সরে দাঁড়ালো রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
alo

নিউজনাউ ডেস্ক: উত্তর আমেরিকায় সর্বাধিক জনপ্রিয় পত্রিকা ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন উত্তর আমেরিকা সংস্করণ’এর প্রথম পাতায় ১২ আগস্ট প্রকাশিত ‘প্রবাসীদের প্রশ্ন-নিউইয়র্ক ট্রেড ফেয়ারে বাংলাদেশ সরকারের ভর্তুকি কেন?’ শীর্ষক সংবাদের পর রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ১৪ আগস্ট এক সার্কুলারে ভর্তুকির বিষয়টি রহিতের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। সার্কুলার নম্বর-২৬০২.০০০০-.৩১.৫৮.৬৪৪.২২-৪০৪। এতে সরাসরি আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসছে ২৩-২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ‘বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্ট ডে এ্যান্ড ট্রেড ফেয়ার-২০২২’ শীর্ষক মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অংশগ্রহণ অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।’

উল্লেখ্য, এই ট্রেড ফেয়ারে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ সরকার থেকে ৫০% পর্যন্ত ভর্তুকি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছিল রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। সেই সার্কুলারের নম্বর ছিল-০২.০০০০০.০৩১.৫৮.৫০৬.১৯.২৯৭, তারিখ ২৯ মে’২২। যুদ্ধজনিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সারাবিশ্ব আর্থিক টালমাটাল অবস্থায় নিপতিত হয়েছে। এজন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈদেশিক মূদ্রা সাশ্রয়ের কঠোর নির্দেশ জারি করেছেন। সে নির্দেশনার মধ্যেই অতি-উৎসাহী কতিপয় আমলা সুকৌশলে এবং বিশেষ মতলবে ভর্তুকি প্রদানের উপরোক্ত সার্কুলার জারি করেছিলেন। এ নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশের পর সর্বমহলে টনক নড়ে এবং সময়ক্ষেপণ না করে ভর্তুকি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ সংবাদে কম্যুনিটিতে স্বস্তি এসেছে।

অনেকে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে ফোন করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাষ্ট্রীয় তহবিল হরিলুটের মহড়া থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত করার এ সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে। উল্লেখ্য, এর আগে অত্যন্ত গোপনে নিউইয়র্কে ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে গত ৬ মে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনের তথ্য বাংলাদেশ প্রতিদিন উত্তর আমেরিকা সংস্করণে ২২ এপ্রিল প্রথম পাতায় ‘মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন-মেডিসন স্কোয়ারের কনসার্ট নিয়ে লুকোচুরি কেন’ শিরোনামে প্রকাশ করেছিল। তারপরই প্রবাসীদের মধ্যে সাড়া পড়ে যায় এবং শেষ মুহূর্তে বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকেও টিকিট প্রদান করা হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত সেই কনসার্টের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।

ওই কনসার্টের আয়োজক দফতরের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক নিউইয়র্কে কনসার্টের দুদিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন যে, কনসার্টের পর ঢাকায় ফিরে সমস্ত হিসাব প্রকাশ করা হবে। সাড়ে তিন মাসের বেশী সময় অতিবাহিত হলো, এখন পর্যন্ত হিসাব উপস্থাপন করা হয়নি। বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ওই কনসার্টের জন্যে রাষ্ট্রের বিপুল পরিমাণের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করা হয়েছে।


নিউজনাউ/এসকে/২০২২ 

X