alo
ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ৪, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৯ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বরাদ্দের ঘর দিতে 'টাকা আদায়' মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২২, ০৮:২৪ পিএম

বরাদ্দের ঘর দিতে 'টাকা আদায়' মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের
alo

 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আঞ্জু মনোয়ারা মেরীর বিরুদ্ধে দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণে উপকারভোগীর নিকট থেকে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

এ ব্যাপারে উদাখালী ইউনিয়নের উত্তর কাঠুর গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হকের পুত্র মোজাম্মেল হক গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানে কাবিটা কর্মসূচীর আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পের অধীন ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উত্তর কাঠুর গ্রামের মোজাম্মেল হক এর নামে বাসগৃহ নির্মাণ বরাদ্দ করা হয়। উক্ত বরাদ্দের পূর্বে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আঞ্জু মনোয়ারা মেরীর পিএস আজাদুল ইসলাম স্থানীয় দক্ষিণ বুড়াইল জামে মসজিদের ইমাম খাজা মিয়ার মারফত মোজাম্মেল হকের নিকট থেকে ৬০ হাজার টাকা সরকারের খাতে জমা দেওয়ার কথা বলে গ্রহণ করে। মোজাম্মেল হক বাসগৃহ পাওয়ার আশায় সহায় সম্বল বিক্রি করে খাজা মিয়াকে ৬০ হাজার টাকা প্রদান করে। পরে মোজাম্মেল হক জানতে পারে বাসগৃহগুলি “সদাশয়” সরকার বিনামূল্যে প্রদান করেছে। বিনামূল্যে বাসগৃহ প্রদানের বিষয়টি জানতে পেরে মোজাম্মেল হক উক্ত ৬০ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় আজাদুল ইসলাম ও খাজা মিয়াকে চাপ প্রয়োগ করলেও মোজাম্মেল হক টাকা ফেরৎ পান নাই। টাকা ফেরৎ পাওয়ার আশায় মোজাম্মেল হক রবিবার (২১ আগস্ট) গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করলেও সংবাদকর্মীদের নজরে আসে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আঞ্জু মনোয়ারা মেরীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমার একার বিরুদ্ধে সংবাদ না করে সকলের বিরুদ্ধে সংবাদ করুন। বুড়াইল জামে মসজিদের ইমাম খাজা মিয়া যদি ৬০ হাজার টাকা নিয়ে থাকে তাহলে সেটা তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যপার এবং টাকা নেবার বিষয় আমি কিছু জানি না। 

এ বিষয়ে খাজা মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ৬০ হাজার টাকা নিইনি তবে আমাকে ২০ - ৩০ হাজার টাকা দিয়েছিল।

নিউজনাউ/আরবি/২০২২

X