alo
ঢাকা, শুক্রবার, ডিসেম্বর ৯, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
logo

তাহলে কী ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ডেসটিনি?


Rigan Bhuiyan   প্রকাশিত:  ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২, ০১:০৬ এএম

তাহলে কী ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ডেসটিনি?


নিউজনাউ ডেস্ক: আলোচিত প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেড পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে। একইসঙ্গে সাবেক জেলা জজ হাসান শাহেদ ফেরদৌস, ব্যারিস্টার মাগরুব কবীর ও এফসিএ ফখরুদ্দিন আহমদকে পরিচালনা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। তাহলে কী ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ডেসটিনি?

জানা যায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ডেসটিনি-২০০০ লিমিটেডের এমডিসহ কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের কারাগারে পাঠানো হলে থেমে যায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম। তবে হাইকোর্টের নির্দেশে কমিটি গঠনের পর ডেসটিনির কার্যক্রম চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

ওই মামলায় প্রতিষ্ঠানটির এমডিসহ কয়েকজনকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় কোম্পানি আইন অনুসারে আর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ এজিএম হয়েছিল ২০১১ সালে। দীর্ঘদিন ধরে এজিএম না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে হাইকোর্টের কাছে ডেসটিনির অবসায়ন চেয়ে মামলা করা হয়। ২০১৮ সালের ১৫ মে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক বিপ্লব বিকাশ শিলসহ ১৬ জন ওই আবেদন করেন।

এদিকে প্রতিষ্ঠানটির এজিএম অনুষ্ঠান ও পরিচালনার জন্য হাইকোর্টে আরেকটি আবেদন জানানো হয়।

২০২০ সালের ৩১ অক্টোবর কোম্পানির পরিচালক জাকির হোসেনকে নিয়ে ৯ সদস্যের একটি বোর্ড গঠন করা হয়। তবে হাইকোর্টের আজকের (১ সেপ্টেম্বর) আদেশে হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডেসটিনির আগের নয় সদস্যের বোর্ডকে সঙ্গে নিয়ে নতুন পাঁচ সদস্যকে প্রতিষ্ঠানটির এজিএম অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা দুদকের দুই মামলার তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৫ মে দুদক আদালতে উভয় মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এরমধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলার ১৯ জনকে আসামি করা হয়। 

এর আগে গত ১২ মে বিচারিক আদালতের দেওয়া রায়ে ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনকে ১২ বছর কারাদণ্ড এবং ২০০ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ বছরের সাজা দেওয়া হয়।

রফিকুল আমিনসহ মামলার ৪৬ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং তাদের মোট ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। এরমধ্যে আসামি হারুন-অর-রশীদকে দেওয়া হয় চার বছরের কারাদণ্ড। সেই সঙ্গে তাকে সাড়ে ৩ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে ছয় মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

নিউজনাউ/আরবি/২০২২

X