alo
ঢাকা, শুক্রবার, ডিসেম্বর ২, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রেকর্ড গড়া জয়ে স্পেনের, কোস্টারিকার জালে ৭ গোল

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর, ২০২২, ১২:১৫ এএম

রেকর্ড গড়া জয়ে স্পেনের, কোস্টারিকার জালে ৭ গোল
alo

 

নিউজনাউ ডেস্ক: ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কোস্টারিকার জালে গুনে গুনে ৭বার বল জড়াল লুইস এনরিকের স্পেন। আর তাতেই লেখা হলো নতুন ইতিহাস। এমনকি ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন দল গোটা টুর্নামেন্টেই করেছিল মোটে ৮টি গোল। সেখানে এবার নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ৭ গোল করে ফেলল স্প্যানিশরা।

দোহার আল থুমামা স্টেডিয়ামে বুধবার ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে ৭-০ গোলে জিতেছে স্পেন। বিশ্বকাপে এটাই তাদের সবচেয়ে বড় জয়।

স্পেনের হয়ে জোড়া গোল করেন ফেররান তোরেস। এছাড়া একটি করে গোল করেন গাভি, মার্কো অ্যাসেন্সিও, কার্লোস সলার, আলভারো মোরাতা এবং দানি অলমো।

এদিন ১৯ বছর ৪১ দিন বয়সে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক করে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় ছিলেন সেস্ক ফ্যাব্রিগাস। তবে কোস্টারিকার বিপক্ষে তাকে ছাপিয়ে গেলেন দুইজন। প্রথমে শুরুর একাদশে থেকে গাভি ১৮ বছর ১১০ দিন বয়সে সেই রেকর্ড ভাঙেন। এরপর বালদে ১৯ বছর ৩৬ দিন বয়সে মাঠে নেমে ফ্যাব্রিগাসের সেই রেকর্ড ভাঙেন।

ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন তাদের চিরাচরিত ছোট ছোট পাস দিয়ে খেলতে থাকে। ম্যাচের ৫ মিনিটে পেদ্রির ক্রস থেকে উড়ন্ত বলে ডিবক্সের ভেতর দানি ওলমোর শট গোলবারের বাইরে চলে যায়। ৯ মিনিটে আবারো এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্পেন কিন্তু আসেনসিওর শট গোলবারের ছুঁইয়ে বের হয়ে যায়।

তবে ১৩তম মিনিটে আর ভুল করেননি দানি ওলমো। মাঝমাঠ থেকে গাভির বাড়ানো বল ডিবক্সের ভেতর পেয়ে কেইলর নাভাসের মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ানো ওলমো। বিশ্বকাপে স্পেনের হয়ে শততম গোলটি আসলো তার পা থেকেই। ২১ মিনিটে আবারো এগিয়ে যায় স্পেন। এবার গোলের খাতা খুলেন মার্কো আসেনসিও। বাম পাশ থেকে বার্সার জর্দি আলবার ক্রসে রিয়াল মাদ্রিদের আসেনসিওর বুলেট গতির শট রুখতে ব্যর্থ হন নাভাস।

দুই গোল দিয়েও যেন খেই হারিয়ে ফেলেনি লা রোহারা। আক্রমনের ধার বাড়িয়ে ৩১ মিনিটে পেনাল্টি আদায় করে নেয় স্পেন। জর্দি আলবাকে ডিবক্সে ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে ফেরান তোরেস গোল করে দলকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে দেন। শেষবার ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩-০ গোলের লিড নিয়েছিল স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই যেন আরো গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে স্পেন। পাস, পাস ও পাস এই নীতিতে খেলে কোস্টারিকার মানসিকতাকেই ভেঙে দেয় তারা। ম্যাচের ৫৪ মিনিতে আবারো দলের হয়ে গোল করেন ফেরান তোরেন। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার ১৫তম গোল। ৪ গোল দিয়েও যেন গোলের ক্ষুধা মেটে না স্পেনের। মোরাতার মত স্ট্রাইকারকে বদলি হিসেবে নামায় তারা।

তারই দেয়া পাস থেকে ৭৪ মিনিটে গোল করে দলকে ৫ গোলের লিড এনে দেন মিডফিল্ডার গাভি। এই গোলের সুবাধে এক ইতিহাস গড়েন এই বার্সা ফুটবলার। স্পেনের সবচেয়ে কমবয়সী ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করলেন তিনি। ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে ৮৯ মিনিটে স্পেনের হয়ে সর্বশেষ গোলটি করেন পিএসজির ফুটবলার কার্লস সোলার। ম্যাচের ৯২ মিনিটে আবারো গোল করে স্পেন। এবার দাই ওলমোর পাস থেকে বদলি হিসেবে নামা মোরাতা গোল করে দলকে ৭-০ গোলের বিশাল জয় এনে দেন। বিশ্বকাপে ইতিহাসে এই প্রথম কোন ম্যাচে ৭ গোল করলো স্পেন। এই বিশাল জয়ে গ্রুপের শীর্ষে উঠে আসলো লুইস এনরিকের দল।

নিউজনাউ/পিপিএন/২০২২

X